Table of Contents
Toggleইসলাম কী ও কেন ?
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মানব জাতির জন্য একমাত্র মুক্তির পথ ও নির্দেশিকা। যুগে যুগে মহান আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে অসংখ্য নবী ও রসূল প্রেরণ করেছেন মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করতে তথা ইসলামের দাওয়াত দিতে। সর্বশেষ এই দ্বীনের দাওয়াত নিয়ে আসেন সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁর জীবদ্দশাতেই ইসলামের পূর্ণতা পায় এবং আল্লাহ তায়ালা ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে নির্ধারণ করে দেন।
ইসলামের পরিচয়
ইসলাম কি ?
ইসলাম হলো একত্ববাদী ধর্ম যা আল্লাহর কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পণ, আনুগত্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করে, এই সকল কাজের অনুসারীদের মুসলিম বলা হয় এবং এটি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে, যার মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ (একত্ববাদ) এবং ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি, রুকন বা স্তম্ভ পাঁচটির উপর যেমনঃ
১। কালেমা (আল্লাহ্ ছাড়া ইলাহ্ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মদ আল্লাহ্র রাসূল-এ কথার সাক্ষ্য দান।) .
২। সলাত বা নামাজ কায়েম করা।
৩। যাকাত দেওয়া।
৪। হজ্জ পালন করা।
৫। রোজা বা সিয়াম পালন করা।
একদিন এক ব্যক্তি এসে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, ’ইসলাম কি?’ তিনি বললেনঃ ’ইসলাম হল, আপনি আল্লাহর ইবাদত করবেন এবং তাঁর সঙ্গে শরীক করবেন না, সলাত বা নামায কায়েম করবেন, ফরয যাকাত আদায় করবেন এবং রমযানের সাওম বা রোযা পালন করবেন।
বুখারী সহীহ হাদিস: ৭,৪৮ ইফাবা, ৮,৫০ আন্তঃ /মুসলিম সহীহ হাদিস: ১৯ ইফাবা , ১৬ আন্তঃ /তিরিমিজী সহীহ হাদীসঃ ২৬০৯ তাহকীককৃত
ইহসান কি ?
ঐ ব্যক্তি আবারও রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাস করলেন- ইহসান কি ? তিনি বললেনঃ ’আপনি এমন ভাবে আল্লাহর ইবাদত করবেন যেন আপনি তাঁকে দেখছেন, আর যদি আপনি তাঁকে দেখতে না পান তবে (বিশ্বাস রাখবেন যে,) তিনি আপনাকে দেখছেন।
বুখারী সহীহ হাদিস: ৪৮ ইফাবা, ৫০ আন্তঃ
দ্বীন এবং ধর্মের পরিচয় ।
দ্বীন:
“দ্বীন” এবং “ধর্ম” দুই ভাষার দুটি শব্দ। এই শব্দ দুটির বুৎপত্তি-গত তাৎপর্যের মধ্যেও যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ইসলাম এমন একটি দ্বীন, যা দিয়ে আল্লাহ তা‘আলা রসূলগণকে তার সৃষ্টির কাছে প্রেরণ করেছেন। আর রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কে আল্লাহ তা‘আলা যে দ্বীনসহ সকল মানুষের কাছে প্রেরণ করেছেন, ইসলাম ধর্মে, যা পরিপূর্ণ, জীবনের সকল দিক ও বিভাগ যার অন্তর্ভুক্ত, যা ব্যাপক, স্থায়ী এবং নির্ভেজাল। এ দ্বীন পূর্ণাঙ্গ, কেননা তা মান-সম্মান ও সৌন্দর্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। আর এর বিধি-বিধান ন্যায়সঙ্গতও পূর্ণরূপে একত্রিত করা হয়েছে। জীবনের সকল দিক ও বিভাগ দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত, কেননা তা দুনিয়া ও আখেরাতে মানুষের সৌভাগ্য বয়ে আনে। এ দ্বীন ব্যাপক, কেননা তা সমগ্র জগতর এবং সমস্ত মানুষের জন্য রহমত। তা স্থায়ী, কেননা তা ক্বিয়ামত পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকবে। তা নির্ভেজাল, কেননা আল্লাহ তা‘আলা নিজে তা সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অতএব, এ দ্বীন পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও হ্রাস-বৃদ্ধি হতে নিরাপদ।
মহান আল্লাহতায়ালা দ্বীন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলেছেনঃ
অর্থঃ ” তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্যদ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। ”
সুরা আস-সফ আয়াত : ৯
পবিত্র কুরআনের আলোকে ” দ্বীন” বলতে আমরা বুঝতে পারলাম, এমন একটি জীবন ব্যবস্থা, যেখানে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, আন্তর্জাতিক জীবন ঘনিষ্ঠ সকল সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় একইসঙ্গে পারলৌকিক জীবনে মুক্তি/নাযাতের রাস্তাও দেখিয়ে দেয়। কোন ক্ষেত্রেই মহা প্রলয়ের দিন পর্যন্ত অন্য কোন বিধান থেকে কিছু নিতে হবে না বিধায় ইসলাম কে বলা হয়েছে “দ্বীন” বা পূর্ণ জীবন বিধান ।
মহান আল্লাহতায়ালা আরেকটি আয়াতে বলেছেনঃ
মহান আল্লাহতায়ালা আরেকটি আয়াতে বলেছেনঃ
অর্থঃ ” আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের উপর আমার নিআমত সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য দীন হিসেবে পছন্দ করলাম ইসলাম ধর্মকে। ”
সুরা আল মায়েদা আয়াত : ৩
ধর্ম:
ধর্ম হচ্ছে একটি বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ। ধর্ম হচ্ছে সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য পালনীয় কিছু আচার অনুষ্ঠান বা কিছু কার্যক্রম। পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্ম রয়েছে তারমধ্যে মুসলিমদের ধর্মের নাম হচ্ছে ‘ ইসলাম ‘ এরকম আরো বিভিন্ন ধর্মের নাম রয়েছে , হিন্দু , বৌদ্ধ, খ্রীষ্ঠান ইত্যাদি। অন্যান্য মতবাদকে ধর্ম বলে গ্রহণ করা হলেও ইসলামকে কিছু অনুষ্ঠান সর্বস্ব ধর্ম মনে করা যথার্থ হবে না। কারণ ইসলাম কথা বলে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন হতে শুরু করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল পর্যন্ত । সহজ কথায় বলা যায়, জাগতিক ও আধ্যাত্মিক সকল বিষয় ইসলাম কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এবং ইসলামে আছে সুনির্দিষ্ট বিধি ব্যবস্থা। পবিত্র কুরআনে ইসলামকে বলা হয়েছে “দ্বীন”।
মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন –
” নিশ্চয় আল্লাহর নিকট “দ্বীন” হচ্ছে ইসলাম। আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের নিকট জ্ঞান আসার পরই তারা মতানৈক্য করেছে, পরস্পর বিদ্বেষবশত। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করে, নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে দ্রুত। ” সুরা আল-ইমরান আয়াত :১৯
ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে নিম্নে আল- কোরআনের কিছু বাণী দেওয়া হলো:
ইসলাম ছাড়া অন্য সকল মতবাদ বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য:
মহান প্রতিপালক আল্লাহ তা‘য়ালা নবী সা. এর মাধ্যমে যে ইসলাম মানব জাতির জন্য নির্ধারণ করেছেন তা ব্যতীত অন্য সকল ধর্ম, দ্বীন ও মতবাদ বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য। ইসলাম ব্যতীত সকল পথ ও মত আল্লাহর কাছে মূল্যহীন। কোনো ব্যক্তির যত ভালো কর্মই হোক না কেন তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না। আর আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-
মহান আল্লাহতায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘আর কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো দ্বীন গ্রহণ করতে চাইলে তা কখনো তার নিকট থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে হবে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।’ (আল ইমরান আয়াত: ৮৫)
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ করা
যে ব্যক্তি ইসলাম তথা আত্মসমর্পণ করেছে তাকে ‘মুসলিম’ বলা হবে। মুসলিম ব্যক্তি সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করে চলবে। যুগে যুগে সকল নবী রসূলগণ এই সার্বজনীন দ্বীন ‘ইসলামের’ দাওয়াত প্রচার করেছেন। পবিত্র কুরআনে নূহ আ. এর ব্যাপারে ইরশাদ হচ্ছে, তিনি বলেন-
মহান আল্লাহতায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘আর আমাকে আদেশ করা হয়েছে আমি যেন মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত হই।’ (সুরা ইউনুস আয়াত: ৭১)
মহান আল্লাহ ইবরাহিম আ. কে ইসলামের ব্যাপারে আদেশ করেছেন,
মহান আল্লাহতায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘তার প্রতিপালক যখন তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি আত্মসমর্পণ কর’, উত্তরে সে বলল, ‘আমি সারা জগতের প্রতিপালকের কাছে আত্মসমর্পণ করলাম’।
(সুরা বাক্বারা আয়াত: ১৩১)
মুসলিম না হয়ে যেন কেউ মৃত্যু বরণ না করে
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্বাসীদেরকে আদেশ করেছেন যেন মুসলিম না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ না করে। এ ব্যাপারে ইরশাদ হচ্ছে –
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যথাযথ ভয়। আর তোমরা মুসলমান হওয়া ছাড়া মারা যেও না।’
(সুরা আল ইমরান আয়াত: ১০২)
দ্বীন হিসেবে ইসলামের সহজতা
আল্লাহ তা‘য়ালা মানব কল্যাণে ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান ‘ইসলাম’কে নির্বাচন করেছেন। পৃথিবীর সকল ধর্মের উপরে একমাত্র নিখোত, সংশয়মুক্ত ও শাশ্বত ঐশী জীবন বিধান হলো ‘ইসলাম’। ফলে ইসলামের কাছে পৃথিবীর সকল মানবসৃষ্ট ধর্ম পরাজিত। ইসলাম সকল প্রকার সমস্যা ও জটিলতামুক্ত এবং সহজতর একটি দ্বীন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন-
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান, যা কষ্টদায়ক তা চান না যেন তোমরা মেয়াদ পূর্ণ করতে পার’।
( সুরা আল বাক্বারা আয়াত: ১৮৫)
সকল প্রকার সংকীর্ণতামুক্ত দ্বীন
ইসলাম উদার ও মানবিকতা সম্পন্ন পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ই ব্যবস্থ্যা। কোনোরুপ সংকীর্ণতা বা বাড়াবাড়ির জায়গা ইসলামে নেই। মহান আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘তিনি দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোনো সংকীর্ণতা বা কঠোরতা চাপিয়ে দেননি ’ ।
( সুরা হজ্ব আয়াত: ৭৮ )
মুসলিমগণ মধ্যমপন্থী জাতি
সকল প্রকার প্রান্তিকতামুক্ত উদার ও মধ্যমপন্থাই হলো শ্রেষ্ঠতম পথ। আল্লাহ তা‘য়ালা এই দ্বীনকে একটি মধ্যমপন্থী দ্বীন বানিয়েছেন। আর ইসলামের অনুসারীগণ হলো উম্মাহর মধ্যমপন্থী ও সাক্ষ্যদানকারী জাতি। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন –
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘আর এভাবে আমি তোমাদেরকে এক মধ্যমপন্থী জাতিতে পরিণত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির উপর সাক্ষী হও এবং রসূল তোমাদের উপর সাক্ষী হতে পারেন।’
( সুরা বাক্বারা আয়াত: ১৪৩)
ইসলামের অনুসারীরা হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম জাতি
ইসলামের অনুসারীগণ তথা মুসলিম জাতি নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি এবং মানবকল্যাণে তাদের আত্মপ্রকাশ। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ “তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে বারণ করবে, আর আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করবে। আর যদি আহলে কিতাব ঈমান আনত, তবে অবশ্যই তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত। তাদের কতক ঈমানদার। তাদের অধিকাংশই ফাসিক।”
সুরা আল-ইমরান আয়াতঃ ১১০
প্রকৃত বা আসল সত্য ধর্ম হলো ” ইসলাম “
আল্লাহ তা‘য়ালা এই বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন আপন কুদরতে। প্রকৃতিকে তিনি নিজের মত সাজিয়েছেন আর ছেড়ে দিয়েছেন আপন অবস্থায়। প্রকৃতির দিন রাত্রি, আকাশ বাতাস, পৃথিবীর বুকে হাজারো সৃষ্টিকুল সবকিছু আপন গতিতে চলমান। আর সেটি হলো ‘ইসলাম’। পৃথিবীর সকল জড়বস্তু ও জীববস্তু আল্লাহর কাছে সমর্পণ করেছে বা ইসলামের উপর রয়েছে। এরপরেও যারা অবিশ্বাস করে ও ইসলাম বাদ দিয়ে অন্য পথ তালাশ করে তাদের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন-
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ‘তারা কি আল্লাহর দীনের পরিবর্তে অন্য কিছু তালাশ করছে? অথচ আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে তা তাঁরই আনুগত্য করে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় এবং তাদেরকে তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তন করা হবে’।
(সুরা আল ইমরান আয়াত: ৮৩)
প্রতিটি নবজাত শিশুই প্রকৃতির ধর্ম (ইসলামের) উপর জন্মগ্রহণ করে
ইসলাম প্রকৃতির ধর্ম। তাই প্রতিটি নবজাত শিশুই ফিতরাত বা প্রকৃতির ধর্ম অর্থাৎ স্বভাবগতভাবেই ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করে। পরে তাদের পিতামাতা ও পারিপার্শ্বিকতার কারণে ভিন্ন ধর্ম ও মতে দীক্ষিত হয়। কিন্তু আদতে প্রত্যেকের যাত্রা শুরু হয় ইসলামের উপর। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ প্রত্যেক নবজাতক ফিত্রাতের উপর জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার মাতাপিতা তাকে ইয়াহূদী বা নাসারা অথবা অগ্নি উপাসক করে, যেমন চতুষ্পদ জন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে (জন্মগত) কানকাটা দেখেছ?
বুখারি সহিহ হাদিসঃ ১৩৮৫ তাওহীদ পাবলিকেশন, ১৩০২ ইফাবা, ১৩৮৫ আন্তঃ
Update Running ........
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Click to share on X (Opens in new window) X
- More
- Click to print (Opens in new window) Print
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Click to share on Reddit (Opens in new window) Reddit
- Click to share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Click to share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Click to email a link to a friend (Opens in new window) Email
- Click to share on X (Opens in new window) X
- Click to share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr
- Click to share on Pocket (Opens in new window) Pocket
