Table of Contents
Toggleমুসলিম কাকে বলে ? প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় ?
মুসলিম কাকে বলেঃ
মুসলিম শব্দটি সালাম শব্দ থেকে উৎপত্তি যার শাব্দিক অর্থ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধান করা। মুসলিম শব্দের অর্থ আত্নসর্মপনকারী। যে ব্যক্তি ইসলাম ধর্মের একমাত্র মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনকে মহান প্রতিপালক বা সৃষ্টি কর্তা হিসেবে গ্রহন করবে, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবেনা এবং রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নির্দেশিত পথে নিজের জীবন চালাবে, হালাল কে হালাল বলে মানবে এবং হারামকে বয়কট করবে, সলাত কায়েম করবে, রোজা রাখবে, নিসাবের অধিকারী হলে যাকাত আদায় করবে এবং হজ্জে গমন করবে, এছাড়াও আরো অন্যান্য দ্বীনি কাজের গুনাবলীর অধিকারী হলে তাকে মুসলিম বলা হয়।
মহান আল্লাহতায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ ” ভালো কাজ এটা নয় যে, তোমরা তোমাদের চেহারা পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ফিরাবে; বরং ভালো কাজ হল যে ঈমান আনে আল্লাহ, শেষ দিবস, ফেরেশতাগণ, কিতাব ও নবীগণের প্রতি এবং যে সম্পদ প্রদান করে তার প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও নিকটাত্মীয়গণকে, ইয়াতীম, অসহায়, মুসাফির ও প্রার্থনাকারীকে এবং বন্দিমুক্তিতে এবং যে সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং যারা অঙ্গীকার করে তা পূর্ণ করে, যারা ধৈর্যধারণ করে কষ্ট ও দুর্দশায় ও যুদ্ধের সময়ে। তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকী।”
সুরা বাকারা আয়াতঃ ১৭৭
মুসলিম নামের উৎপত্তিঃ
মুসলমানদের কে ”মুসলিম” বলা হয় ,এই নাম কে রেখেছেন আমাদের মহান সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহতায়ালা নিজেই আল-কোরানের এই সূরাতে উল্লেখ করে বলেন এই নাম তোমাদের পিতা ইবরাহীমের দীন। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন ‘মুসলিম’ পূর্বে এবং এ কিতাবেও রয়েছে। নিন্মে আমরা এই সূরার এই আয়াতটি পড়লেই বুঝতে পারি যে এই নাম হযরত ইব্রাহিম (আ:)রেখেছিলেন।
মহান আল্লাহ্তায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ “আর তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ কর যেভাবে জিহাদ করা উচিৎ। তিনি তোমাদেরকে মনোনীত করেছেন। দীনের ব্যাপারে তিনি তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেননি। এটা তোমাদের পিতা ইবরাহীমের দীন। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন ‘মুসলিম’ পূর্বে এবং এ কিতাবেও। যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হয় আর তোমরা মানুষের জন্য সাক্ষী হও। অতএব তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে মজবুতভাবে ধর। তিনিই তোমাদের অভিভাবক। আর তিনি কতই না উত্তম অভিভাবক এবং কতই না উত্তম সাহায্যকারী! “
সুরা হজ্জ আয়াতঃ ৭৮
অন্য আরেকটি হাদিসের বর্ণনায়ঃ
আমর ইবনু ’আব্বাস (রহঃ) ….. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আমাদের ন্যায় সলাত /নামাজ আদায় করে, আমাদের কিবলামুখী আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সে-ই মুসলিম, যার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যিম্মাদার। সুতরাং তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে খিয়ানত করো না।
বুখারী সহীহ হাদীসঃ ৩৮৪ ইফাবা, ৩৯১ আন্তঃ
মুসলিমদের পরিচয় ?
প্রকৃত মুসলিম সে-ই, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ।
আদম ইবনু ইয়াস (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, প্রকৃত মুসলিম সে-ই, যার জিহ্বা ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে এবং প্রকৃত মুহাজির সে-ই, যে আল্লাহ্ তা’আলার নিষিদ্ধ কাজ ত্যাগ করে।
বুখারী সহীহ হাদিস: ৯ ইফাবা , ১০ আন্তঃ
ফিতনা থেকে পলায়ন দ্বীনের অংশ।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) … আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেদিন দূরে নয়, যেদিন মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে কয়েকটি বকরী, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চুড়ায় অথবা বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে। ফিতনা থেকে বাঁচতে সে তার দ্বীন নিয়ে পালিয়ে যাবে।
বুখারী সহীহ হাদিস: ১৮ ইফাবা , ১৯ আন্তঃ
সর্বোত্তম উম্মত এবং মধ্যমপন্থী উম্মত ?
মহান আল্লাহতাআলা মুসলিম উম্মাহকে ‘সর্বোত্তম উম্মত’ বলেছেন কারণ তারা সৎকাজের আদেশ করে, অসৎকাজে বাধা দেয় এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে যা মানবজাতির কল্যাণে তাদের বিশেষ দায়িত্ব ও বৈশিষ্ট্য। এই উম্মত মধ্যমপন্থী (উম্মতে ওয়াসাত) কারণ তারা প্রান্তিকতা পরিহার করে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা অনুসরণ করে এবং মানবজাতির জন্য একটি আদর্শ ও ভারসাম্যপূর্ণ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা বিশ্বে ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও পথ প্রদর্শনের দায়িত্ব পালন করে।
মহান আল্লাহতায়ালা বলেনঃ
অর্থঃ “তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে বারণ করবে, আর আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করবে। আর যদি আহলে কিতাব ঈমান আনত, তবে অবশ্যই তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত। তাদের কতক ঈমানদার। তাদের অধিকাংশই ফাসিক।”
সূরা আল-ইমরান আয়াত: ১১০
মহান আল্লাহতায়ালা আরেকটি আয়াতে মধ্যমপন্থী উম্মত বলে উল্লেখ করেছেনঃ
অর্থঃ “আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী উম্মত বানিয়েছি, যাতে তোমরা মানুষের উপর সাক্ষী হও এবং রাসূল সাক্ষী হন তোমাদের উপর। আর যে কিবলার উপর তুমি ছিলে, তাকে কেবল এ জন্যই নির্ধারণ করেছিলাম, যাতে আমি জেনে নেই যে, কে রাসূলকে অনুসরণ করে এবং কে তার পেছনে ফিরে যায়। যদিও তা অতি কঠিন (অন্যদের কাছে) তাদের ছাড়া যাদেরকে আল্লাহ হিদায়াত করেছেন এবং আল্লাহ এমন নন যে, তিনি তোমাদের ঈমানকে বিনষ্ট করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, পরম দয়ালু।”
সূরা আল-বাকারা আয়াতঃ ১৪৩
সংক্ষেপে মুসলিমদের ফিরকাগুলো বা দল গুলোঃ
সর্বক্ষেত্রে মুসলিম বলে পরিচয় দিলেই যথেষ্ট নয় তবে আল্লাহ তাআলা ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বক্ষেত্রেই মুসলমানদেরকে মুসলিম বলেই সম্বোধন করতেন। কিন্তু তারা স্থান-কাল-পাত্রভেদে মুসলমানদেরকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করেছেন। অতএব সর্বক্ষেত্রে মুসলিম পরিচয় দিতে হবে, অন্য কোন বৈশিষ্ট্যগত নামে পরিচয় দেয়া যাবে না এমন দাবী বা আক্বীদা পোষণ আল্লাহ ও তার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রীতিনীতির বিরুদ্ধাচরণ। কেননা উনারা সর্বক্ষেত্রেই মুসলিম শব্দ ব্যবহার করেননি।
এ উম্মতের ৭৩ ফিরক্বার (দল বা গোষ্ঠী) ৭২ ফিরক্বা জাহান্নামী। তারাও মুসলিম যেমনঃ সুন্নি , শী‘আ, খারেজী, মু‘তাযেলী, ক্বাদারিয়া, জাবারিয়া, জাহামিয়্যা, আশ‘আরিয়া, মুজাসসিমা পথভ্রষ্ট এ সকল সম্প্রদায়ের সকলেই মুসলিম। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,تَفْتَرِقُ أُمَّتِي عَلَى ثَلاَثٍ وَسَبْعِينَ مِلَّةً، كُلُّهُمْ فِي النَّارِ إِلاَّ مِلَّةً وَاحِدَةً، ‘আমার উম্মত ৭৩ ফিরক্বায় বিভক্ত হবে। তাদের সবাই জাহান্নামে যাবে, একটি ফিরক্বা ব্যতীত’।
উক্ত হাদীছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) تَفْتَرِقُ أُمَّتِي ‘আমার উম্মাত বিভক্ত হবে’ বলেছেন। অতএব সর্বক্ষেত্রে মুসলিম পরিচয় দিলে স্বভাবতই প্রশ্ন এসে যাবে আপনি কোন শ্রেণীর মুসলিম। শী‘আ, খারেজী, মু‘তাযেলী, জাবারিয়া, ক্বাদারিয়া ও মাযহাবী? নাকি সরাসরি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের পদাংক অনুসরণকারী ফিরক্বায়ে নাজিয়াহ? তথা আহলেহাদীছ। তাই মুসলিম সমাজে নিজেদেরকে ‘আহলেহাদীছ’ তথা কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসাবে পরিচয় দিলে এ কথা স্পষ্ট হয় যে, আমরা মুসলিম তো বটেই, বরং আমরা ফিরক্বায়ে নাজিয়াহর অন্তর্ভুক্ত একনিষ্ঠ মুসলিম।
হাদিসের বর্ননায় একটি দল জান্নাতিঃ
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী ইসরাঈল যে অবস্থায় পতিত হয়েছিল, নিঃসন্দেহে আমার উম্মাতও সেই অবস্থার সম্মুখীন হবে, যেমন একজোড়া জুতার একটি আরেকটির মতো হয়ে থাকে। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ যদি প্রকাশ্যে তার মায়ের সাথে ব্যভিচার করে থাকে, তবে আমার উন্মাতের মধ্যেও কেউ তাই করবে। আর বনী ইসরাঈল ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উন্মাত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। শুধু একটি দল ছাড়া তাদের সবাই জাহান্নামী হবে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি ? তিনি বললেনঃ আমি ও আমার সাহাবীগণ যার উপর প্রতিষ্ঠিত।
তিরমিজী হাদিস : ২৬৪১ তাহকীককৃত/ আবু দাঊদ হাদিস: ৪৫৯৬ তাহকীককৃত/ ইবনে মাজাহ সহীহ হাদীসঃ ৩৯৯২ তাওহীদ পাবলিকেশন
উপরের কোনো কোনো হাদীসে মুসলিম উম্মাহর ফিরকাসমূহের সংখ্যা ৭৩ হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় হিজরী শতক থেকেই অনেক আলিম মুসলিম উম্মাহর ৭৩ ফিরকার নাম নির্ধারণ করতে চেষ্টা করেছেন। দ্বিতীয় হিজরী শতকের প্রসিদ্ধ তাবি-তাবিয়ী আলিম ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারাক (১৮০হি) বলেন: ‘‘মুসলিম উম্মাহর ফিরকাগুলির মূল ৪টি ফিরকা: শীয়া, হারূরীয়্যাহ (খরিজী), কাদারিয়্যাহ ও মুরজিয়্যাহ। শিয়াগণ ২২ ফিরকায় বিভক্ত হয়, খারিজীগণ ২১ ফিরকায় বিভক্ত হয়, কাদারিয়্যাহ ফিরকা ১৬ ফিরকায় বিভক্ত হয় এবং মুরজিয়াগণ ১৩ ফিরকায় বিভক্ত হয়।’’
ইবনু বাত্তাহ, আল-ইবানাহ ১/২৯৭।
তৃতীয় হিজরী শতকের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস আবূ হাতিম রাযী (২৭৭ হি) বলেন: ‘‘আলিমগণ বলেছেন যে, এ উম্মাতের ইফতিরাক বা বিভক্তির শুরু হয়েছি যিনদীকগণ, কাদারিয়্যাহ, মুরজিয়্যাহ, রাফিযী (শীয়া) ও হারূরিয়্যাহ (খারিজী) এ দলগুলির মাধ্যমে। এরাই হলো সকল ফিরকার মূল। এরপর প্রত্যেক ফিরকা বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হয়েছে। তারা একে অপরকে কাফির বলেছে এবং একে অপরকে জাহিল বলেছে। যিনদীকগণ ১১ ফিরকা, খারিজীগণ ১৮ ফিরকা, রাফিযীগণ (শীয়াগণ) ১৩ ফিরকা, কাদারিয়্যাহগণ ১৬ ফিরকা, মুরজিয়্যাহগণ ১৪ ফিরকায় বিভক্ত। মোট ৭২ ফিরকা।’’
ইবনু বাত্তাহ, আল-ইবানাহ ১/২৯৭।
শাইখ আব্দুল কাদির জীলানী (রাহ) (৫৬১ হি) উল্লেখ করেছেন যে, ৭৩ ফিরকা মূলত ১০ ফিরকার অন্তর্ভুক্ত। এ দশ দল হল আহলু সূন্নাত, খারিজী, শিয়া, মু’তাজিলা, মুরজিয়া, মোশাবিবয়া, জাহ্মিয়া, জাবারিয়া, নাজারিয়া এবং কালাবিয়া। অন্যান্য ফিরকা এ দশ ফিরকার মধ্যে শামিল।
শাইখ আব্দল কাদির জীলানী, গুনিয়াতুত তালেবীন, পৃ. ২১০।
অনেক আলিম মনে করেন যে, ৭৩ ফিরকা নিশ্চিতরূপে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়; কারণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উম্মাতের বিষয়ে এ ভবিষ্যদ্বাণী করেছে এবং উম্মাত কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। কাজেই কিয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত আরো অনেক ফিরকার আবির্ভাব ঘটতে পারে। কাজেই এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বলা মূলনীতি অনুসরণ করতে হবে।
যারা ইসলামের মূল তাওহীদ, রিসালাত ও আরকানুল ঈমানে বিশ্বাস করেন বলে দাবি করেন, এর সুস্পষ্ট বিপরীত কোনো বিশ্বাস পোষণ করেন বলে দাবি না করেন, ইসলামের সর্বজন-পরিজ্ঞাত অত্যাবশ্যকীয় কোনো বিষয় অস্বীকার করেন না অথচ তাদের নিজেদের স্বীকৃত বিশ্বাস বা আকীদার মধ্যে এমন বিষয় রয়েছে যা কুরআন-হাদীসে নেই বা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে ও সাহাবীগণ থেকে সুপরিজ্ঞাত বিশ্বাসের ব্যতিক্রম, তাদেরকে বিভক্ত ও বিভ্রান্ত ফিরকা বলে গণ্য করতে হবে।
আর যারা তাদের বিশ্বাস- আকীদায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও সাহাবীগণের হুবহু অনুসরণ করেন, তাঁরা যা বলেছেন তা বলেন এবং তাঁরা যা বলেন নি তা আকীদার মধ্যে সংযোগ করেন না, তাদের মুখের দাবি তাদের বাস্তব কর্ম ও স্বীকৃত আকীদা-বিশ্বাস দ্বারা প্রমাণিত হয় তাদেরকে ‘আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত বলে গণ্য করতে হবে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Click to share on X (Opens in new window) X
- More
- Click to print (Opens in new window) Print
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Click to share on Reddit (Opens in new window) Reddit
- Click to share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Click to share on Telegram (Opens in new window) Telegram
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
- Click to email a link to a friend (Opens in new window) Email
- Click to share on X (Opens in new window) X
- Click to share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr
- Click to share on Pocket (Opens in new window) Pocket
